Feeds:
Posts
Comments

আমি আমার আগের লেখাতে এক ক্লিকে hibernate করার পদ্ধতির কথা বলেছিলাম । এখন আমি রিস্টার্ট করার পদ্ধতি দিলামঃ

ডেস্কটপে রাইট ক্লিক করুন এরপর

NEW>SHORTCURT

এরপর বক্সে নিচের কমান্ড লিখুন

SHUTDOWN -r -t 30

এভাবে শেষ করুন।

এখনে ৩০ বলতে বুঝানো হয়েছে যে রিস্টার্ট ৩০ সেকেন্ড পরে হবে। এটি আপনি বদলে ফেলতে পারেন বা কমাতে পারেন।

Advertisements

উইন্ডোজের অনেক সমস্যার মধ্যে একটি হলো, ডাবল ক্লিক এ ড্রাইভ না খুলা। যখন আপনি ড্রাইভ এ ডাবল ক্লিক করেন, তখন এটি না খুলে একটি এক্সপ্লোরার ওপেন হয়। এটা সাধারনত autorun.inf ভাইরাস এর কারনে হয়ে থাকে। তবে এটি নিয়ে চিন্তার তেমন কোন কারন নেই। এন্টিভাইরাস ছাড়াই এটা খুবই সহজে সমাধান সম্ভব।

এর জন্য নিচের ধাপ গুলো অনুসরন করুন;

আপনার C: ড্রাইভ টিকে পরিস্কার করার জন্য;

১। স্টার্ট > রান এ গিয়ে, টাইপ করুন, cmd এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

২। টাইপ করুন, cd\ এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

৩। টাইপ করুন, attrib –r –h –s autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

৪। টাইপ করুন, del autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

এবার আপনার D: ড্রাইভ টিকে পরিস্কার করার জন্য;

১। স্টার্ট > রান এ গিয়ে, টাইপ করুন, cmd এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

২। টাইপ করুন, cd\ এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

৩। টাইপ করুন, D: এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

৪। টাইপ করুন, attrib –r –h –s autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

৫। টাইপ করুন, del autorun.inf এবং Enter বাটন এ প্রেস করুন।

আপনার প্রতি টি ড্রাইভ কে পরিস্কার করার জন্য উপরের ধাপ গুলো কে পর্যায় ক্রমে অনুসরন করতে হবে। আপনার কম্পিউটারে  যদি ৪ টি ড্রাইভ থাকে, আপনাকে তবে ৪ বার ধাপ গুলো অনুসরন করে আপনার ৪ টি ড্রাইভ কে পরিস্কার করে নিতে হবে। আপনার কাজ কিন্তু এখনো শেষ হয়নি, আপনার সব ড্রাইভ এ উপরে বর্নিত ধাপ অনুসারে পরিস্কার করার পরে আপনার কম্পিউটার টিকে একবার রি-স্টার্ট করে দেখুন, আপনার সমস্য সমাধান হয়ে গেছে।

ইদানিং সবাই তাদের কম্পিউটারকে অযাচিত লোকজনের হাত থেকে বাচিয়ে রাখতে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু সেই পাসওয়ার্ডটিও মাঝে মাঝে হয়ে থাকে অনেক জটিল কোনো স্ট্রিঙ যাতে কেউ আন্দাজও করতে না পারে। সেই জটিল আর গোপন পাসওয়ার্ডটি যদি ভুলে যান তাহলে দুর্ভোগ এর সীমা থাকেনা। এই দুর্ভোগটি কমানোর ছোট্ট একটি প্রচেষ্টা হিসেবে আমার এই পোস্ট।

নিচের পদ্ধতি অনুসরন করে আমরা একটি পাসওয়ার্ড রিসেট ডিস্ক তৈরি করবো। এরপর কখনো আপনি আপনার পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে এই রিসেট ডিস্কটি ব্যবহার করে পিসি এক্সেস করতে পারবেন।

  • প্রথমে আপনার পেনড্রাইভ USB পোর্টে লাগিয়ে নিন।
  • এরপর উইন্ডোজ এর কন্ট্রোল প্যানেল এ যান।
  • তারপর User Accounts and Family Safety তে গিয়ে User Accounts এ ক্লিক করুন।
  • নতুন পেজ এর বামে Create a password reset disk এ ক্লিক করুন।
  • একটি বক্স আসবে সেখানে Next এ ক্লিক করুন আবার Next এ ক্লিক করুন।
  • তারপর আপনার বর্তমান ইউজার পাসওয়ার্ড টি দিয়া Next এ ক্লিক করুন।

এরপর আপনার পেন ড্রাইভ এ userkey.pw নামে একটি ফাইল তৈরি হবে। যখনি পাসওয়ার্ড ভুলে যাবেন তখনি পেন ড্রাইভ লাগিয়ে পিসি স্টার্ট করুন। মনে রাখতে হবে যে userkey.pw ফাইল টি থাকতে হবে পেন ড্রাইভ এ। এবার ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে দেখুন। তারপর রিসেট পাসওয়ার্ড এ ক্লিক করুন এবং নতুন পাসওয়ার্ড দিন। তারপর ok ক্লিক করে কাজ শেষ করুন। এবার নতুন পাসওয়ার্ড দিয়া লগিন করুন।

মজিলা-ফায়ারফক্স ইউজাররা অ্যাডঅন ইনস্টল করতে অভ্যস্ত। কাজের সুবিধার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় অনেক অনেক অ্যাডঅন ইনস্টল করি। কিন্তু ফায়ারফক্সেই এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করার অপশন রয়েছে। আর সেই অপশন ব্যবহার করে এটিকে ব্যপকভাবে কাস্টোমাইজ করা যায়। সেটি হল about:config নানা সময় বুয়েটের ফ্রেন্ডদের কাছ থেকে, কখনো বড় ভাইয়াদের কাছ থেকে ধার করা জ্ঞান আর ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে টুকে রাখা নোট থেকে কিছু মজিলা টিপস তুলে ধরলাম আজকের পোস্টে। আগেই বলে নেই হাজারো আগ্রহ থাকলেও ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার বিষয়ে আমার দৌড় খুবই নগণ্য, কাজেই টিপস গুলো দিয়ে কতখানি সাহায্য করতে পারবো জানি না, কিন্তু আমার কাছে বেশ পছন্দ হয়েছে এমন কিছু টিপস দিয়েই সাজালাম এই মজিলা টিপস

ফায়ারফক্সের ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস বার-এ লিখতে হবে about:config
Enter কী চাপার পর একটি ওয়ার্নিং ম্যাসেজ দেখানো হয়। তখন “I’ll be carefull, I promise!” লেখা বাটনটি ক্লিক করতে হবে। এরপর বিশাল একটা লিস্ট আসবে। যে যে বিষয় গুলা পরিবর্তন করতে চান তা Filter লেখার লেখাটির পাশের খালি জায়গায় লিখতে হবে।

) লোকেশন বারের সাজেশনের সংখ্যা পরিবর্তন করা
লোকেশন বারে (যেখানে ওয়ের সাইটের ঠিকানা লেখা হয়) কোন ওয়েব সাইটের ঠিকানা লেখার সময় নিচে একটি সাজেশন লিস্ট ওপেন হয়। সেখানে ১২ টি সাজেশন থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী এটা পরিবর্তন করা যায়।
লেখতে হবে: browser.urlbar.maxRichResults
ডিফল্ট: 12
পরিবর্তন: যতগুলা দেখতে চাই সেই সংখ্যা লেখলেই হবে। সাজেশন বন্ধ করতে চাইলে -1 লেখতে হবে।

) সেশন রিস্টোর বন্ধ করা
ফায়ারফক্স প্রতি ১০ সেকেন্ড পর পর সেশন সেভ করে, ফলে হটাৎ বন্ধ করলে বা ক্রাশ করলে তা রি-স্টোর করা যায়। অনেকের এই অপশনটি ভালো নাও লাগতে পারে। চাইলে এটি বন্ধ করা যাবে।
লিখতে হবে: browser.sessionstore.enabled
ডিফল্ট: True
পরিবর্তন: False লিখলে বন্ধ হয়ে যাবে।

) সেশন রিস্টোর অ্যাডজাস্ট করা
সেশন রি-স্টোর যেমন বন্ধ করা যাবে, তেমনই এটি কতক্ষন পর পর সেভ করবে তা ঠিক করে দেয়া যায়।
লিখতে হবে: browser.sessionstore.interval
ডিফল্ট: 10000(মাইক্রো সেকেন্ডে দেয়া, 10000 মানে 10 সেকেন্ড)
পরিবর্তন: 1000 মানে 1 সেকেন্ড, 60000 দিলে 1 মিনিট পর পর সেব হবে।

) অ্যাডভান্স কালার প্রোফাইল সাপোর্ট
এটি এমন একটি সুবিধা যার মাধ্যমে ফায়ারফক্সে ছবি আরও ভালো কোয়ালিটিতে দেখা যাবে। এই সুবিধাটা বন্ধ করা থাকে, করন এর ফলে ব্রাউজার ধীরে ওপেন হতে পারে। তবে দরকার মনে করলে এটি অন করে নেয়া যাবে।
লিখতে হবে: gfx.color_management.enabled
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True (কালার প্রোফাইল সাপোর্ট অন হবে)

) ভাইরাস স্ক্যান বন্ধ করা
এটা মূলত উইন্ডোজ ব্যাবহার কারীদের জন্য। ফায়ারফক্স ৩ কোন ফাইল ডাউনলোড করার সময় ফাইলটা ডিফল্ট এন্টি ভাইরাস দিয়ে চেক করে। ফলে অনেক বড় ফাইল নামানোর সময় অনেক বেশি সময় লাগবে। আপনি যদি নিশ্চত থাকেন যে আপনি কোন ফাইল নামাচ্ছেন তবে এই ব্যাবস্থাটা ব্ধ করে রাখতে পারেন ফলে ডাউনলোড স্পিড বাড়বে।

লেখতে হবে: browser.download.manager.scanWhenDone
ডিফল্ট: TrueFalse
পরিবর্তন: False (বন্ধ হবে)

) ট্যাব স্ক্রল কনফিগার করা
অনেকগুলা ট্যাব ওপেন করতে থাকলে ফায়ারফক্সে ট্যাব গুলার আকার(100px) হবার পর ট্যাব গুলা পর পর ওপেন হতে থাকে স্ক্রল করে ট্যাবগুলা দেখতে হয়। ট্যাব এর আকার কমিয়ে দিলে আগের চাইতে বেশি ট্যাব ওপেন হবার পর স্ক্রল করতে হবে। উদাহারন হিসাবে ৭০ দেয়া যাবে।
লিখতে হবে: browser.tabs.tabMinWidth
ডিফল্ট: 100
পরিবর্তন: 0 (বন্ধ হবে) অন্য যে নম্বর দেয়া হবে সেটি সেট হবে

) ট্যাব এর Close বাটন দেখা/ বন্ধ করা
ফায়ারফক্সে প্রতিটি ট্যাবে Close বাটন থাকে। এর ফলে অনেকের কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে। এটি পরিবর্তন করা যায়।
লিখতে হবে: browser.tabs.closeButtons
ডিফল্ট: 1
পরিবর্তন:
0- অ্যাকটিভ ট্যাব-এ Close বাটন থাকবে
1- সবগুলা ট্যাব-এ Close বাটন থাকবে
2- কোথাও কোন  Close বাটন থাকবে না
3- একেবারে শেষ প্রান্তে একটা  Close বাটন থাকবে

) স্ক্রপ্ট ওপেন হবার সময় পরিবর্তন
ফায়ারফক্স-৩ একটা স্ক্রপ্ট-এর রেসপন্স পারাব জন্যা মাত্র ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে। এর মধ্যে ওপেন না হলে ওয়ার্নিং ম্যাসেজ দেখায়। তাই স্লো ইন্টারনেট ব্যাবহার করলে এই সময় বাড়িয়ে নেয়া যায়।
লেখতে হবে: dom.max_script_run_time
ডিফল্ট: 10
পরিবর্তন: 15 বা অন্য কোন নাম্বার (10 এর বড়)
) বানান পরীক্ষা করা
সাধারনত একের বেশি লাইন লেখার অপশন থাকলেই কেবল বানান চেক করা যায় তবে এটি পরিবর্তন করা যায়।
লিখতে হবে: layout.spellcheckDefault
ডিফল্ট: 1 (একের বেশি লাইনে বানান চেক করবে)
পরিবর্তন:
0- কখনোই বানান চেক করবে না
2- সকল টেক্সট বক্সে বানান চেক করবে

১০) সার্চ বক্সের ফলাফল নতুন ট্যাব ওপেন করা
ব্রাউজারের উপরের ডান দিকে যে সার্চ বক্স রয়েছে সেখানে কিছু সার্চ করলে ফলাফল ঐ ট্যাবেই দেখা যায় তবে এটি পরিবর্তন করলে ফলাফল গুলা নতুন ট্যাব-এ দেখাবে।
লিখতে হবে: browser.search.openintab
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True (ফলাফল নতুন ট্যাবে ওপেন হবে)

১১)মিনিমাইজ করা অবস্থায় কম ফিজিকাল মেমরী ব্যাবহার

(উইন্ডোজে ব্যাবহারকরীদের জন্য) ফায়ারফক্স মিনিমাইজ করা হলে এটি ভার্চুয়াল মেমরীতে চলে যাবে ফলে তখন ফিজিকাল মেমরীতে চাপ কমবে। প্রায় 10MB জায়গা এটি ছেড়ে দেয়, যখন আবার কাজ করা হবে তখন এটি এর প্রয়োজন মত জায়গা ব্যাবহার করবে। এটি ফায়ারফক্সে ডিফল্ট ভাবে থাকেনা । about:config পেজ এর খালি জায়জায় মাউতের ডান বাটন ক্লিক করে New >> Boolean সিলেক্ট করুন।

নাম লিখুন : config.trim_on_minimize
ভ্যালু লিখুন :True

১২) ফায়ারফক্সের গতি বাড়ান
লেখতে হবে: network.http.pipelining
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True

লিখতে হবে: network.http.proxy.pipelining
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True

লিখতে হবে: network.http.pipelining.maxrequests
ডিফল্ট: 4
পরিবর্তন: 4 থেকে বেশি কিন্তু 8 থেকে কম কোন নম্বর

লিখতে হবে: network.http.max-connections
ডিফল্ট: 30
পরিবর্তন: 96

লিখতে হবে: network.http.max-connections-per-server
ডিফল্ট: 15
পরিবর্তন: 32
১৩) ক্যাশ ম্যামোরির পরিমান বাড়ানো
যখন কোন পেজ ওপেন হয় তখন তা হার্ডডিস্ক ক্যাশ হিসাবে জমা থাকে।ফলে পরবর্তিতে ঐ পেজ ওপেন করতে হলে ক্যাশ থেকে দ্রুত ওপেন হয়। ফায়ারফক্সের জন্য এটি 5MB থাকে। চাইলে বাড়ানে যাবে, তখন বেশি পেজ সেভ থাকবে।

ক্যাশ বাড়াতে হলে browser.cache.disk.enable এটি True থাকতে হবে।
লিখতে হবে: browser.cache.disk.capacity
ডিফল্ট: 5000(KB তে লেখা)
পরিবর্তন:
5000 এর বড় লেখলে ক্যাশ বাড়বে
5000 এর কম লেখলে ক্যাশ কমবে

১৪)সম্পূর্ণ URL সিলেক্ট করা
উইন্ডোজ বা ম্যাক এর লোকেশন বার-এ মাউস দিয়ে ক্লিক করলে সম্পূর্ণ URL সিলেক্ট হয় কিন্তু লিনাক্সে সেটি হয় না । যেখানে ক্লিক করা হয় সেখালেই কার্সরটি বসে থাকে। কিন্তু এটি পরিবর্তন করা যায়।
লিখতে হবে: browser.urlbar.clickSelectsAll
পরিবর্তন:
False- ক্লিক করা জায়গায় কার্সরটি থাকবে
True- সম্পূর্ণ লেখা সিলেক্ট হবে

১৫) অটোফিল URL
কোন অ্যাড্রেস লেখা শুরু করলে এর বাকি অংশটুকু লেখা হয়ে যাবে।
লিখতে হবে: browser.urlbar.autofill
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True (URl অটোফিল হবে)

১৬) সকল ক্ষেত্রে একই জুম লেভেল
ফায়ারফক্সে ওয়েবপেজ গুলা জুম করে দেখা যায়। সব পেজই যদি সমান জুম ব্যাবহার করতে পারেন।
লিখতে হবে: browser.zoom.siteSpecific
ডিফল্ট: True
পরিবর্তন: False (সব ওয়েবসাইটের সমান জুম প্রিফারেন্স)

১৭)জুম লিমিট সেট করা
এখন যে ভাবে জুম হচ্ছে তা যদি আপনার পছন্দ না হয় তবে তা পরিবর্তন করতে পারবেন।
লেখতে হবে: zoom.maxPercent
ডিফল্ট: 300(পার্সেন্ট)
পরিবর্তন: 300 থেকে বড় কোন নম্বর

লিখতে হবে: zoom.minPercent
ডিফল্ট: 30(পার্সেন্ট)
পরিবর্তন: যে কোন নম্বর

১৮) ফায়ারফক্সে অটোস্ক্রল
উইন্ডোজে ফায়ারফক্সে অটোস্ক্রল করা যায়। কিন্তু লিনাক্সে ডিফল্ট ভাবে এই অপশনটা থাকে না। অটো স্ক্রল চালু করতে নিচের মত অপশনগুলা সেট করে অটোস্ক্রল অন করতে হবে।
লেখতে হবে: middlemouse.contentLoadURL
পরিবর্তন: False
লেখতে হবে: middlemouse.openNewWindow
পরিবর্তন: False
লিখতে হবে: middlemouse.paste
পরিবর্তন: False

লিখতে হবে: general.autoScroll
পরিবর্তন: True
১৯) Backspace বাটন সেট করা
ফায়ারফক্সে Backspace বাটনটি দুই ভাবে ব্যবহার করা যায়। আগের পেজে যেতে বা Page up এর কাজ করতে।
লেখতে হবে: browser.backspace_action
ডিফল্ট: 2 (কোন কাজ হবে না)
পরিবর্তন:
0- আগের পেজ ওপেন হবে
1- Page up এর কাজ করতে।

২০) অফলাইন ক্যাশ বাড়ানো
সাধারন ভাবে ফায়ারফক্স সর্বচ্চ 500MB অফলাইন ক্যাশ হিসাবে ব্যাবহার করে। কারও প্রয়োজন হলে এটি বাড়ানো বা কমানো যাবে।
কনফগ: browser.cache.offline.capacity
ডিফল্ট: 512000(কিলোবাইট)
পরিবর্তন: 512000 থেকে বড় কোন নম্বর দিলেক্যাশ বাড়বে

২১) ফায়ারফক্স এর বুকমার্ক bookmarks.html এক্সপোর্ট করা
ফায়ারফক্স-৩ places.sqlite ফাইলে বুকমার্ক ব্যাকআপ রাখে। কিন্তু bookmarks.html এ সেভ করলে এক্সপোর্ট করা বা অন্য ব্রাউজারের সাথে সিনকোনাইজ করতে সাহায্য করে।
কনফিগ: browser.bookmarks.autoExportHTML
ডিফল্ট: False
পরিবর্তন: True(বুকমার্ক bookmarks.html এ এক্সপোর্ট হবে)
২২) অ্যাডঅন ইনস্টলের সময় ডিলে টাইম বন্ধ করা
প্রতিবার অ্যাড অন ইনস্টল করার সময় কয়েক সেকেন্ড করে অপেক্ষা করতে হয়। security.dialog_enable_delay থেকে এই ডিলে বন্ধ করা যায়।
কনফিগ: security.dialog_enable_delay
ডিফল্ট: 2000(msec)
পরিবর্তন:
0- সাথেসাথে ইনস্টল শুরু হবে
অন্য যে কোন নম্বর(msec)

২৩) সোর্স পছন্দের এডিটরে ওপেন করা
কোন ওয়েব পেজ এর সোর্স দেখি ফায়ারফক্সের নতুন একটি উইন্ডোতে। কিন্তু এটি আপনার পছন্দের এডটরে ওপেন করা যাবে।
কনফিগ: view_source.editor.external

ডিফল্ট:  False
পরিবর্তন: True
কনফিগ: view_source.editor.path
ডিফল্ট: blank
পরিবর্তন: এডিটরের ফাইল পাথ

২৪) ফুলস্ক্রীন মোডে টুলবার অটোহাইড
ফুলস্ক্রীন মোডে টুলবার অটোহাইড হয়ে যায়। কিন্তু কারও যদি টুলবার সবসময়ই দরকদর হয় তবে অটোহাইড বন্ধ করা নেয়া যাবে।
কনফিগ: browser.fullscreen.autohide
ডিফল্ট: True (সবসময় অটোহাইড)
পরিবর্তন: False (সবসময় টুলবার থাকবে)

২৫) Add-on সার্চ রেজাল্ট বাড়ানো
Tools->Add-ons->Get Add-ons থেকে অ্যাড অন সার্চ করা যায়। এখানে একবারে কেবল ৫টি ফলাফল দেখায়। চাইলেই এর সংখ্যা বাড়ানো যায়।
কনফিগ: extensions.getAddons.maxResults
ডিফল্ট: 5
পরিবর্তন: 5 এর থেকে বড় যে কোন নম্বর।

তাহলে আজই পরীক্ষা করে দেখুন টিপ্‌সগুলো কেমন লাগে। আর শান্তি করে সার্ফিং করে বেড়ান আগের চেয়ে কিছুটা অন্যভাবে।

বিভিন্ন সময়ে আমরা উইন্ডোজ ইনষ্টল করে থাকি। উইন্ডোজ এক্সপি ইনষ্টল করতে গেলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তথ্য দিতে হয়। এর মধ্যে সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম ইত্যাদি। যা অনেক সময় বিরক্তিকর এবং সময় সাপেক্ষ হয়। কিন্তু আপনি যদি উইন্ডোজ এক্সপির কাষ্টমাইজ সিডি তৈরী করে রাখেন তাহলে প্রতিবার ইনষ্টল করার সময় এসব তথ্য দিতে হবে না। আপনার কাস্টমাইজ সিডি থেকে আপনা আপনি এসব তথ্য ব্যবহৃত হবে। এজন্য আপনাকে আগে উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে হবে।
এনলাইট সফটওয়্যার দ্বারা আপনি উইন্ডোজ এক্সপির কাস্টমাইজ সিডি তৈরী করতে পারেন। ২.৫৪ মেগাবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি www.nliteos.com থেকে ডাউনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। এজন্য আপনার কম্পিটউটারে মাইক্রোসফটের ডট নেট ২.০ সংস্করণ ইনষ্টল থাকতে হবে।
এবার এনলাইট সফটওয়্যারটি চালু করুন এবং ইংরেজী ভাষা নির্বাচিত রেখে Next বাটনে ক্লিক করে Location the Windows installation উইন্ডো থেকে Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটারে থাকা উইন্ডোজের লোকেশন (সরাসরি সিডি থেকে হবে না) দেখিয়ে দিন তাহলে উইন্ডোজের সকল তথ্য চলে আসবে। এবার Next বাটনে ক্লিক করে আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। এবার Task Selection এ All বাটনে ক্লিক করে Next করুন। Service Pack উইন্ডোতে আপনি চাইলে এক্সপির সার্ভিস প্যাক যুক্ত করতে পারেন Select বাটনে ক্লিক করে। এরপরে Next করে Hotfixes, Add-ons and Update Packs উইন্ডো থেকে Advanced বাটনে ক্লিক করে ইনেবল করতে পারেন। এরপরে Next করে Drivers উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার (প্রিন্টার, ল্যান, গ্রাফিক্স, সাউন্ডকার্ড ইত্যাদি) Insert করতে পারেন। এবার Next করে করে Components উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় কম্পোনেন্টগুলো নির্বাচন করুন এবং Next করুন। এরপরে Unattended উইন্ডোর বিভিন্ন ট্যাব থেকে আপনার ইচ্ছামত কাস্টমাইজ করুন (থীম, সিরিয়াল নম্বর, এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরে পাসওয়ার্ড, কম্পিউটারের নাম, সময় ইত্যাদি)। এখন Next করে Options উইন্ডো থেকে প্রয়োজনবোধে বিভিন্ন অপশনস পরিবর্তন করতে পারেন। এবার Next করে Tweaks উইন্ডো থেকে প্রয়োজনীয় টোয়ীক এবং সার্ভিস নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করলে Do you want to start the process? আসবে। এখন Yes করলে প্রসেস শুরু হবে। প্রসেস শেষ হলে Next করলে Bootable ISO উইন্ডো আসবে। এখান থেকে আপনি সরাসরি সিডিতে রাইট করতে পারবেন বা বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে পারবেন পরবর্তিতে রাইট করার জন্য। বুটেবল ইমেজ তৈরী করতে Mode এ Create Image নির্বাচন করে Label লিখে Make ISO বাটনে ক্লিক করুন। এবার নির্দিষ্ট লোকেশন দেখিয়ে Save করুন। ব্যাস এরপরে উক্ত ইমেজ সিডিতে রাইট করলেই হয়ে গেলো আপনার কাস্টমাইজ উইন্ডোজ এক্সপি। এবপর থেকে আরো সহজে কাস্টমাইজ এক্সপি ইনষ্টল করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ ভিসতাকে কাস্টমাইজ করতে আপনাকে ভিলাইট (www.vlite.net) ব্যবহার করতে হবে।

 

কম্পিউটার ল্যাব, সাইবার ক্যাফে বা অফিসের কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা কে কি করছে তা মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণ করা দারুন এক সফটওয়্যার হচ্ছে ক্লাসরুম স্পাই। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরদের দারুন কাজে দেবে।
লোকাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত আছে এমন অফিসে কর্মকর্তারা, সাইবার ক্যাফের ব্যবহারকারীরা, কম্পিউটার ল্যাবের ছাত্ররা তাদের কম্পিাউটারে বসে কে কি করছে তা মনিটর করা বা রিমোটলি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ক্লাসরুম স্পাই সফটওয়্যার দ্বারা। মাইক্রোসফটের রিমোট ডেক্সটপ দ্বারা লোকাল নেটওয়ার্কের থাকা রিমোট কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করা যায় কিন্তু ক্লাসরুম স্পাই এর মত এতো ভালভাবে মনিটর করা যায় না। মাত্র ১১ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি www.eduiq.com বা www.classroomspy.com সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

সফটওয়্যার ইনস্টল করা: সফটওয়্যারটির দুটি অংশের একটি হচ্ছে Console আর একটি হচ্ছে Agent| এই Console মুডটা হচ্ছে নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের জন্য আর Agent মুডটা হচ্ছে যাদের মনিটর করা সেই কম্পিউটারের জন্য।
সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার সময় Click here to install ″Classroom Spy Professional Console″ এবং Click here to install ″Classroom Spy Agent″ নামের দুটি বাটন আসবে। এখন Stealth Agent Install চেকবক্স চেক করে Click here to install ″Classroom Spy Agent″ বাটনে ক্লিক করে ইনস্টল করুন এবং পাসওয়ার্ড সেট করুন যা পরবর্তীতে এই কম্পিউটারটিকে রিমোট করার সময় প্রয়োজন হবে। শেষে Start Agent বাটনে ক্লিক করে সার্ভিস চালু করুন এবং ইনস্টল সমাপ্ত করুন।
নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের কম্পিউটারে Classroom Spy Professional Console মুড ইনস্টল করে চালু করুন তাহলে প্রথমবার পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে যা পরবর্তীতে Classroom Spy Professional Console চালু করতে লাগবে।
রিমোট কম্পিউটার যোগ করা: প্রথমে Classroom Spy Professional চালু করে বাম পাশের প্যানেল থেকে Add Computer বাটনে ক্লিক করুন। এবার Remote computer (host or IP) এ রিমোট কম্পিউটারের নাম বা আইপি এড্রেস লিখুন, Nikename এ কম্পিউটারটির নাম দিন (বোঝার সুবিধার্থে) এবং Agent’s password এ উক্ত রিমোট কম্পিউটারের সেট করা পাসওয়ার্ড দিন। Advanced Options ট্যাবে গিয়ে Color Level কালার 16M নির্বাচন করে Basic Options ট্যাবে এসে Remote Assistant Configure / Installation বাটনে ক্লিক করুন এবং উক্ত কম্পিউটারের এ্যাডমিনিস্ট্রেটর ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Connect বাটনে করে Classroom Spy Configuration এ পুনরায় রিমোট কম্পিউটারের Agent’s password দিয়ে Ok করুন এবং সবশেষে Add Computer ডায়ালগ বক্সে Ok করুন। তাহলে Classroom Spy Professional এর Remote Screens ট্যাবে কম্পিউটারটির বর্তমান অবস্থান দেখা যাবে। এভাবে আরো রিমোট কম্পিউটার যোগ করা যাবে।
রিমোট কম্পিউটার মনিটর করা: রিমোট কম্পিউটার মনিটর করতে চাইলে Remote Screens ট্যাবে প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Zoom Remote Screen এ ক্লিক করলে বড় পর্দায় উক্ত কম্পিউটারের ডেক্সটপ দেখা যাবে। উক্ত কম্পিউটারটি কোন কাজ করতে চাইলে Enable Control চেক বক্স চেক করলে মাউস বা কীবোর্ড দ্বারা উক্ত কম্পিউটারে কাজ করা যাবে। আর প্রদর্শিত থাকা কম্পিউটারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Remote Control এ ক্লিক করলে Enable Control সক্রিয় হয়ে বড় আকারে দেখা যাবে। উক্ত ডেক্সটপটি পূর্ণ পর্দায় দেখতে Full Screen বাটনে ক্লিক করতে হবে।
রিমোট কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠানো: রিমোট কম্পিউটারের সবগুলোকে বা নির্দিষ্ট কোন কম্পিউটারে ম্যাসেজ পাঠাতে Classroom Spy Professional এর Show Massage/Block Computer ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Mesage text এ ম্যাসেজ লিখে নিচের Show Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করুন তাহলে নির্বাচিত কম্পিউটারগুলোতে ম্যাসেজ প্রদর্শিত হবে। ম্যাসেজ উইন্ডো রিমোট কম্পিউটারের ব্যবহারকারীরা বন্ধ করতে পারবে আর নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটর সকল কম্পিউটারে পাঠানো ম্যাসেজ বন্ধ করতে Hide Message / Block Computer বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
নিজের ডেক্সটপ শেয়ার করা: নেটওয়ার্ক এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের নিজের ডেক্সটপটি শেয়ার দিতে চাইলে Classroom Spy Professional এর Share Desktop ট্যাবে গিয়ে ডানপাশের প্যানেল থেকে যে যে রিমোট কম্পিউটারে ডেক্সটপ শেয়ার দিতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Start Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করুন। রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপকে নিস্ক্রিয় করে শুধুমাত্র আপনার ডেক্সটপকে দেখাতে বাধ্য করতে চাইলে নিচের Full Screen এবং Lock Computers চেক করুন শেয়ার দিতে পারেন। এছাড়াও Color Level থেকে কালারের মান পরিবর্তন করতে পারবেন। শেয়ার বন্ধ করতে Stop Sharing Desktop বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
ডেক্সটপ রেকর্ড করা: রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে Desktop Recorder ট্যাবে গিয়ে Record বাটনে ক্লিক করুন এবং যে যে রিমোট কম্পিউটারের ডেক্সটপ রেকর্ড করতে চান সেগুলো নির্বাচন করে Ok করুন। তাহলে ডেক্সটপ মনিটর শুরু করলে উক্ত রিমোট কম্পিউটারে সেভ হবে। রেকর্ড করা ভিডিও দেখতে চাইলে Open Network Share বাটনে ক্লিক করলে সেভ হওয়া ফোল্ডার খুলবে।
কম্পিউটার বন্ধ করা রির্স্টাট করা: রিমোট কম্পিউটার বন্ধ, রিস্টার্ট, হাইবারনেট, স্ট্যান্ডবাই, লগঅফ, স্ক্রিনসেভার চালু, স্ক্রিনসেভার বন্ধ বা লক করতে চাইলে Tools ট্যাবে যান এবং নির্দিষ্ট বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটারগুলো নির্বাচন করে Ok করলেই হবে। এখান থেকে রিমোট কম্পিউটারের কমান্ড প্রম্পট, রান বা ওয়েবসাইট চালু করা যাবে।
প্রোসেস থাকা প্রোগ্রাম বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারগুলো থেকে প্রোসেস চলতে থাকা নির্দিষ্ট কোন প্রোগ্রাম বন্ধ করতে Processes ট্যাবে গিয়ে যে প্রোসেসটি বন্ধ করতে চান সেটি নির্বাচন করে Kill all with the same name বাটনে ক্লিক করে রিমোট কম্পিউটার নির্বাচন করে Ok করলেই হবে।
পোর্ট বন্ধ করা: রিমোট কম্পিউটারের কোন পোর্ট বন্ধ করতে চাইলে Internet Control ট্যাবে গিয়ে বন্ধ করতে পারেন।
এছাড়াও Classroom Spy Professional Console এর Add Group of LAN Computers বাটনে ক্লিক করে নেটওয়ার্কে থাকা সকল (নির্বাচন করে) কম্পিউটারগুলোতে Classroom Spy Professional Agent ইনস্টল করা যাবে।